ইতনা টিভি
দুর্নিতি

গাড়ি চোর চক্রের সঙ্গে বিআরটিএ কর্মীদের যোগসাজশ।

বিআরটিএ’র অসাধু কর্মচারিদের সহায়তায় ঠিক করা হতো চুরি যাওয়া যানবাহনের কাগজপত্র। এমন একটি চক্রের হোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। জড়িত অসাধু বিআরটিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। গেলো ১২ই মে রাজধানীর বাবুবাজার যাওয়ার কথা বলে পূর্বনির্ধারিত স্থানে নিয়ে ইফতারের সাথে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে এভাবেই ভুক্তভোগী মিরাজ শেখের মোটরসাইকেল নিয়ে যায় যানবাহন চুরি চক্রের সদস্যরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এভাবেই প্রায়ই চুরি বা ছিনতাই হচ্ছে মোটরসাইকেল, সিএনজিআটোরিকশা, প্রাইভেটকার। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন থানায় এ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম। অবশেষে ধরা পড়েছে একটি চক্রের ছয় সদস্য। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের পর রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থেকে একটি প্রাইভেটকার ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া গাজীপুর থেকে একটি প্রাইভেটকার, নরসিংদী থেকে চারটি সিএনজি আটোরিকশা ও সাতটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। লালবাগ বিভাগের উপ কমিশনার মো. রাজীব আল মাসুদ বলেন, এই অপরেশনে আমরা দেখেছি মোটরসাইকেলগুলো উত্তরা-কেরানীগঞ্জ এ সমস্ত জায়গা থেকে নিয়ে এরা গোপালগঞ্জ ফরিদপুর এসব জায়গাতে বিক্রি করে। তারা এক জায়গা থেকে চুরি করে অন্য জায়গাতে পাঠিয়ে দেয় যেন এগুলো ট্রেস করতে অসুবিধে হয়। মো. রাজীব আল মাসুদ আরও বলেন, চুরি হওয়া যানবাহনের কাগজপত্র বৈধ করতে বিআরটিএ’র অসাধু একটি চক্র জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছি। এরা একই মডেলের গাড়ির একই নামে করা লাইসেন্স দিয়ে আবারও একটা কাগজ তৈরি করে। পুলিশ জানায়, এই চক্রের হোতা রফিকুল ইসলাম ৩ বছরের সাজা মাথায় নিয়েই দীর্ঘদিন একই অপরাধ করে আসছিলো।

Related posts

মেহেরপুরের ডিসি অফিসে কোটিপতি পিয়নরা।

admin

Leave a Comment

Translate »